বেইমানী ও বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাসের শহর মুর্শিদাবাদ......
সারা বাংলা তথা ভারতীয় উপমহাদেশে যে কটি অঞ্চলকে ইতিহাসের আঁতুড়ঘর বলে ধরা যায় তার মধ্যে মুর্শিদাবাদ অন্যতম । মুর্শিদাবাদ ,নামটা শুনলেই মনে পড়ে যায় নবাবী আমল আর বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস। বাংলা বিহার উড়িষ্যার সে দিনের রাজধানী মুর্শিদাবাদ শহরের প্রতিটি বাঁকে রয়েছে বেইমানি,নিষ্ঠুরতা,লাম্পট্য আর মানবতার চরম অবমাননার ইতিহাস । আমি প্রথম মুর্শিদাবাদ যাই ১৯৭২ সালে বাবা মায়ের সাথে, মায়ের কাছে মুর্শিদাবাদের ইতিহাসের গল্প শুনতে শুনতে । আমি তখন নেহাত ই বালক,কিন্তু সেই সময় থেকেই ইতিহাসের প্রতি এক ভালবাসা তৈরি হয়, তারপর থেকে ইতিহাসের টানে বার বার ছুটে গেছি এই শহরে । আজ এই শহরের ইতিহাস নিয়ে দু একটি কথা বলি । সপ্তম শতাব্দীতে রাজা শশাঙ্কের রাজধানী কর্ণ-সুবর্ণ ছিল মুর্শিদাবাদে। মুসলমান শাসনের সময়েও দীর্ঘদিন মুর্শিদাবাদ ছিল বাংলার রাজধানী। ১৭০৪ খ্রিস্টাব্দে মুর্শিদকুলি খাঁ সুবেবাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে সরিয়ে ভাগীরথীর পূর্ব তীরে অবস্থিত মুখসুদাবাদ গ্রামে নিয়ে আসেন। পরে তা হয়ে ওঠে সমৃদ্ধ শহর। মুর্শিদকুলি খাঁর নাম অনুসারে ওই শহরের নাম হয় ‘মুর্শিদাবাদ’। ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে মুর্শিদাবাদ হয় পৃথক জেলা। জেলাটি বর...